
শেখ মাহতাব হোসেন ডুমুরিয়া খুলনা
২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের রাজস্ব খাতের অর্থায়নে খুলনার ডুমুরিয়ায় উন্মুক্ত ও প্রাতিষ্ঠানিক জলাশয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে পোনামাছ অবমুক্তকরণ প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ ২৪ আগস্ট ২০২৬ (সোমবার) উপজেলা পরিষদ পুকুরে আনুষ্ঠানিকভাবে এই পোনামাছ অবমুক্ত প্রোগ্রামের উদ্বোধন করা হয়। কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ৪৫টি প্রতিষ্ঠান ও সিঙ্গার বিলের অনুকূলে মোট ৩৩৩.৩৩ কেজি পোনামাছ অবমুক্ত করা হয়েছে।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ বদিউজ্জামান। ডুমুরিয়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মোঃ জিল্লুর রহমান রিগানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজ সবিতা সরকার।প্রোগ্রামের অন্যান্যদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ নাজমুল হুদা,যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা এস এম কামরুজ্জামান, উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মনোরঞ্জন বিশ্বাস, সমবায় কর্মকর্তা সরদার জাহিদুর রহমান,উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান, বিআরডিবি (ডিআরডিবি) কর্মকর্তা মোঃ রাজিবুল হাসান, ডুমুরিয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শেখ মাহতাব হোসেন ডুমুরিয়া হ্যাচারি/ফার্ম ম্যানেজার খন্দকার মাহবুব সুলতানা, ডুমুরিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ ফহরাদ হোসেন, আব্দুর রব আকুন্জি,মৎস্যজীবী দলের সভাপতি শেখ মাহবুবুর রহমান, সদস্য সচিব মোঃ সেলিম হালদার।প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ বদিউজ্জামান বলেন, “উন্মুক্ত ও প্রাতিষ্ঠানিক জলাশয়ের মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং আমিষের চাহিদা মেটাতে রাজস্ব খাতের এই উদ্যোগ অত্যন্ত সময়োপযোগী। সঠিক পরিচর্যা ও সরকারি নির্দেশিকা মেনে চললে এ অঞ্চলের মৎস্য উৎপাদন উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে।”বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজ সবিতা সরকার জলাশয় সমূহে পোনামাছ সুরক্ষায় স্থানীয় মৎস্যজীবী ও সুশীল সমাজকে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানান।অনুষ্ঠানের সভাপতি সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মোঃ জিল্লুর রহমান রিগান জানান, চলতি অর্থবছরে উপজেলার ৪৫টি প্রাতিষ্ঠানিক ও উন্মুক্ত জলাশয়ে মোট ৩৩৩.৩৩ কেজি উন্নত জাতের পোনামাছ অবমুক্ত করা হচ্ছে, যা স্থানীয় মৎস্য সম্পদের সার্বিক বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।এ সময় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, স্থানীয় সাংবাদিক, সুধিজন এবং বিপুল সংখ্যক মৎস্যজীবী উপস্থিত ছিলেন। পোনামাছ অবমুক্তকরণ শেষে দেশের মৎস্য সম্পদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিশেষ দোয়া ও শুভকামনা ব্যক্ত করা হয়।
